সর্বশেষ

বৃহস্পতিবার, ৮ অক্টোবর, ২০২০

জুমাআর দিনের সুন্নত ভিত্তিক কিছু আমল বর্তমান ২৪ ডট কম

জুমাআর দিনের সুন্নত ভিত্তিক কিছু আমল বর্তমান ২৪ ডট কম

জুমাআর দিনের সুন্নত ভিত্তিক কিছু আমল


জুমআর দিনে হাদিসে বর্ণিত গুরুত্বপূর্ণ আমলগুলো এমন:

১. গোসল করা।
২. ফজরের ফরজ নামাজে সূরা সাজদা ও সূরা দাহর/ইনসান তিলাওয়াত করা।
৩. উত্তম পোশাক পরা।
৪. সুগন্ধি ব্যবহার করা।
৫. আগেভাগে মসজিদে যাওয়া।
৬. সূরা কাহফ তেলাওয়াত করা। (বৃহস্পতিবার সূর্যাস্ত থেকে শুক্রবার সূর্যাস্তের আগ পর্যন্ত যে কোনো সময়ে)
৭. জুমআ'র সালাতে মসজিদে গিয়ে কমপক্ষে দুই রাকাত সালাত আদায় করা।
৮. ইমামের কাছাকাছি গিয়ে বসা।
৯. মনযোগ দিয়ে খুৎবা শোনা। খুৎবা চলাকালে কোনো কথা না বলা।
১০. দুই খুৎবার মাঝের সময়ে বেশি বেশি দুয়া করা।
১১. অন্য সময়ে দুয়া করা। কারণ এদিন দু’আ কবুল হয়।
১৩. রাসূল সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লামের ওপর সারাদিন যথাসম্ভব বেশি দরূদ পাঠ করা।

চলুন এবার জুমআ সম্পর্কে কয়েকটি হাদীস জেনে নিই।

আবূ হুরায়রা (রাঃ) থেকে বর্ণিতঃ তিনি বলেন, নবী (সাল্লাল্লাহু ‘আলাইহি ওয়া সাল্লাম) বলেন, 

জুমু’আর দিন মসজিদের দরজায় মালাইকা (ফেরেশতাগণ) অবস্থান করেন এবং ক্রমানুসারে পূর্বে আগমনকারীদের নাম লিখতে থাকেন। যে সবার পূর্বে আসে সে ঐ ব্যক্তির ন্যায় যে একটি মোটাতাজা উট কুরবানী করে। অতঃপর যে আসে সে ঐ ব্যক্তির ন্যায় যে একটি গাভী কুরবানী করে। অতঃপর আগমনকারী ব্যক্তি মুরগী দানকারীর ন্যায়। অতঃপর আগমনকারী ব্যক্তি একটি ডিম দানকারীর ন্যায়। অতঃপর ইমাম যখন বের হন তখন মালাইকা (ফেরেশতাগণ) তাঁদের খাতা বন্ধ করে দিয়ে মনোযোগ সহকারে খুত্‌বা শ্রবণ করতে থাকেন। (বুখারী ৯২৯ - http://ihadis.com/books/bukhari/hadis/929)

আবূ হুরায়রা (রাঃ) থেকে বর্ণিতঃ
রাসূলুল্লাহ (সাল্লাল্লাহু ‘আলাইহি ওয়া সাল্লাম) জুমআ’র দিনের উল্লেখ করে বললেন, ‘এই দিনে এমন একটি মুহূর্ত রয়েছে যে, কোন মুসলিম বান্দা যদি এই মুহূর্তে দাঁড়িয়ে নামায পড়া অবস্থায় আল্লাহ্ নিকট কোন কিছু চায়, তাহলে তিনি তাকে অবশ্যই তা দান করেন। আর তিনি হাত দিয়ে ইঙ্গিত করে বুঝিয়ে দিলেন যে, সে মুহূর্তটি খুবই সংক্ষিপ্ত।’ (বুখারী ৯৩৫, মুসলিম ৮৫২)

আবূ হুরাইরাহ (রাঃ) থেকে বর্ণিতঃ
রাসূলুল্লাহ সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম বলেন, ‘‘যে ব্যক্তি সুন্দরভাবে ওযূ করল, অতঃপর জুমআর নামাজ পড়তে এল এবং মনোযোগ সহকারে নীরব থেকে খুতবাহ শুনল, সে ব্যক্তির এই জুমআ ও (আগামী) জুমআর মধ্যেকার এবং অতিরিক্ত আরো তিন দিনের (ছোট) পাপসমূহ মাফ করে দেওয়া হল। আর যে ব্যক্তি (খুৎবাহ্ চলাকালীন সময়ে) কাঁকর স্পর্শ করল (অর্থাৎ বেখেয়ালে একটা পরে থাকা পাথর স্পর্শ করল), সে অনর্থক কর্ম করল।’’ (অর্থাৎ সে জুমআর সওয়াব বরবাদ করে দিল।) (মুসলিম)

তাই খুতবা চলাকালীন সময়ে মসজিদের দানবাক্স চালানো, মোবাইলে কোনো কিছু নিয়ে ব্যস্ত থাকা বা কথা বলা সব কিছুই জুমআকে নষ্ট করে দিবে। আমাদের উচিত জুমআর সময় সকল অনর্থক কাজ থেকে বিরত থাকা।

শুক্রবার, ২৫ সেপ্টেম্বর, ২০২০

মতবিনিময় সভা

মতবিনিময় সভা

অদ্য ২৫ সেপ্টেম্বর ২০২০ইং রোজ শুক্রবার বিকাল ৪:০০ ঘটিকায় কাস্টমস, এক্সাইজ ও ভ্যাট কমিশনারেট, সিলেটের কার্যালয়ে গণপ্রজাতন্ত্রী বাংলাদেশ সরকারের অভ্যন্তরীণ সম্পদ বিভাগের সিনিয়র সচিব ও জাতীয় রাজস্ব বোর্ডের চেয়ারম্যান জনাব আবু হেনা মোঃ রহমাতুল মুনিম এর সাথে দি সিলেট চেম্বার অব কমার্স এন্ড ইন্ডাস্ট্রি’র সাথে এক মতবিনিময় সভা অনুষ্টিত হয়। এসময় সিলেট চেম্বার নেতৃবৃন্দ জাতীয় রাজস্ব বোর্ডের চেয়ারম্যান মহোদয়কে ফুল দিয়ে শুভেচ্ছা জানান এবং উক্ত মতবিনিময় সভায় মিলিত হওয়ার সুযোগ দানের জন্য ধন্যবাদ জ্ঞাপন করেন। এসময় সিলেট চেম্বার সভাপতি জাতীয় রাজস্ব বোর্ডের চেয়ারম্যান মহোদয়ের নিকট সিলেটের ব্যবসায়ীদের বিভিন্ন সুপারিশ তুলে ধরেন ও এ সম্পর্কৃত একটি পত্র সিলেট চেম্বারের পক্ষ থেকে রাজস্ব বোর্ডের চেয়ারম্যান জনাব আবু হেনা মোঃ রহমাতুল মুনিম হাতে তুলে দেন। সময় উপস্থিত ছিলেন জাতীয় রাজস্ব বোর্ডের সদস্য (কর নীতি) জনাব মোঃ আলমগীর হোসেন, সদস্য (ভ্যাট নীতি) জনাব মোঃ মাসুদ সাদিক, সদস্য (কাস্টমস; নীতি) জনাব সৈয়দ গোলাম কিবরীয়া, কাস্টম্স, এক্সাইজ ও ভ্যাট কমিশনারেট সিলেটের কমিশনার জনাব হোসাইন আহমেদ, কর অঞ্চল সিলেটের কর কমিশনার জনাব মোঃ সাইফুল হক, কাস্টম্স, এক্সাইজ ও ভ্যাট কমিশনারেট সিলেটের অতিরিক্ত কমিশনার জনাব মোহাম্মদ সফিউর রহমান, যুগ্ম কমিশনার জনাব মোহাম্মদ মিনহাজ উদ্দিন পাহলোয়ান, কর অঞ্চল সিলেটের অতিরিক্ত কর কমিশনার জনাব মোঃ আবু সাঈদ সোহেল, যুগ্ম কর কমিশনার জনাব পংকজ লাল সরকার, জনাব সাহেদ আহমদ, উপ কর কমিশনার কাজল সিংহ, সিলেটের অতিরিক্ত জেলা প্রসাশক (রাজস্ব) জনাব মোঃ আসলাম উদ্দিন, সিলেট চেম্বারের সিনিয়র সহ সভাপতি জনাব চন্দন সাহা, সহ সভাপতি জনাব তাহমিন আহমদ, পরিচালক জনাব এমদাদ হোসেন, বাংলাদেশ রেস্তুরা মালিক সমিতি সিলেট শাখার সভাপতি জনাব খালেদ আহমদ, তামাবিল চুনাপাথর, পাথর ও কয়লা আমদানীকারক গ্রুপের সদস্য ও সিলেট চেম্বারের সদস্য জনাব জালাল উদ্দিন, সিলেট জেলা কর আইনজীবি সমিতির সভাপতি এডভোকেট মোঃ আবুল ফজল, সাধারণ সম্পাদক এডভোকেট মোঃ আব্দুল আলীম পাঠান সহ অন্যান্য প্রতিনিধিবৃন্দ। এসময় আরও উপস্থিত ছিলেন অমন্ত্রিত অতিথিবৃন্দ, জেলা প্রশাসন, কাস্টম্স, এক্সাইজ ও ভ্যাট কমিশনারেট সিলেট, কর অঞ্চল সিলেটের কর্মকর্তাবৃন্দ প্রমুখ।

শুক্রবার, ৪ সেপ্টেম্বর, ২০২০

সালমান স্মরণে মৌসুমী

সালমান স্মরণে মৌসুমী

সালমান স্মরণে মৌসুমী -

সালমান শাহ,
সে আমার প্রথম ছবির নায়ক, ছিল আমার বন্ধু।
মনে পড়ে প্রথম ছবি " কেয়ামত থেকে কেয়ামত " এর কথা। সোহানুর রহমান সোহান আমাদের পরিচয় করিয়ে দিয়েছিলেন।
বন্ধুত্ব এর পর ঝগড়া হলো, আবার আড়ি নিলাম, আবার আড়ি কাটাকাটি হলো দুই ঘন্টা না যেতেই।

এফ ডি সি তে শ্যুটিং করছি। ইমন হয়তো অন্য এক ফ্লোরে সে শ্যুট করছে।
একবার হলেও আসবে। আমি জানিনা, কিন্তু পরে শুনতাম ইমন এসেছিলো। পরে ফোন করতাম, কি রে আসলি, দেখা করলি না কেন?
ইমন হাসতো। সেই হাসি এখনো কানে বাজে। ব্যাংকক থেকে একবার আমার পায়ের মাপের জুতো এনে চমকে দিয়েছিলো আমাকে। 
এখনো বিশেষ দিনগুলোতে সালমান শাহ র সিনেমা দেখানো হয়। নতুন প্রজন্ম ওর সম্পর্ক এ আগ্রহ দেখায়। কিন্তু আমি দেখতে পারিনা। মন খারাপ হয়। এভাবে কি কেউ চলে যায়?

তথ্য- প্রথম আলো।


বৃহস্পতিবার, ৩ সেপ্টেম্বর, ২০২০

ভারতের প্রয়াত রাষ্ট্রপতি শ্রী প্রণব মূখার্জি’র স্মৃতির প্রতি শ্রদ্ধা নিবেদনে সিলেট চেম্বারের নেতৃবৃন্দ

ভারতের প্রয়াত রাষ্ট্রপতি শ্রী প্রণব মূখার্জি’র স্মৃতির প্রতি শ্রদ্ধা নিবেদনে সিলেট চেম্বারের নেতৃবৃন্দ

ভারতের প্রয়াত রাষ্ট্রপতি শ্রী প্রণব মূখার্জি’র স্মৃতির প্রতি শ্রদ্ধা নিবেদনে সিলেট চেম্বারের নেতৃবৃন্দ
ভারতের প্রয়াত রাষ্ট্রপতি শ্রী প্রণব মূখার্জি’র স্মৃতির প্রতি শ্রদ্ধা নিবেদনে সিলেট চেম্বারের নেতৃবৃন্দ

অদ্য ০৩ সেপ্টেম্বর ২০২০ইং, বৃহস্পতিবার দুপুর ৩:০০ ঘটিকায় সিলেট চেম্বারের পরিচালনা পরিষদের পক্ষে প্রেসিডিয়াম সদস্যবৃন্দ সিলেটের ভারতীয় সহকারী হাইকমিশন অফিসে ভারতের প্রয়াত রাষ্ট্রপতি বাংলাদেশের অকৃত্রিম বন্ধু শ্রী প্রণব মুখার্জির স্মৃতির প্রতি শ্রদ্ধা নিবেদন করেন। এসময় উপস্থিত ছিলেন দি সিলেট চেম্বার অব কমার্স এন্ড ইন্ডাস্ট্রির সভাপতি জনাব আবু তাহের মোঃ শোয়েব, সিনিয়র সহ সভাপতি জনাব চন্দন সাহা, সহ সভাপতি জনাব তাহমিন আহমদ। সেখানে প্রয়াত রাষ্ট্রপতির প্রতিকৃতিতে ফুল দিয়ে শ্রদ্ধা নিবেদন ও শোক বইতে স্বাক্ষর করা হয়। এসময় নবনিযুক্ত ভারতীয় সহকারী হাইকমিশনার জনাব নিরাজ কুমার যশওয়ালের সাথে কুশল বিনিময় হয়। কুশল বিনিময়ে চেম্বার সভাপতি সিলেটে ভারতীয় সহকারী হাই কমিশন স্থাপিত হওয়ায় সিলেটের ব্যবসায়ীদের কষ্ট অনেকটা লাঘব হয়েছে বলে উল্লেখ করে ভারত ও বাংলাদেশের মধ্যে বাণিজ্য সম্পর্ক বৃদ্ধিতে সহকারী হাই কমিশনের যেকোন কার্যক্রমে সিলেট চেম্বারের পক্ষ থেকে সার্বিক সহযোগিতার আশ্বাস প্রদান করেন।

বুধবার, ২ সেপ্টেম্বর, ২০২০

খুবই মূল্যবান ১০ টি ছোট হাদিসঃ

খুবই মূল্যবান ১০ টি ছোট হাদিসঃ

খুবই মূল্যবান ১০ টি ছোট হাদিসঃ

০১.বিনা হিসেবে জান্নাতে যাবে (সত্তর হাজার লোক) ওসব লোক যারা অশুভ,অমঙ্গল মানে না,যারা ঝাঁড়-ফুক করায় না, যারা মন্ত্র-তন্ত্রের ধার ধারে না, এবং আগুনে পোড়া লোহার দাগ লাগায় না ; বরং সদা সর্বদা তাদের পরোয়ারদেগারের উপর পূর্ণ ভরসা রাখে। (সহীহ বুখারী, হাদিস নং- ৫৩৪১,৬২৮,৬০৯৯)

০২.যে ব্যক্তি নিষ্ঠার সাথে শহীদি মৃত্যু কামনা করে, আল্লাহ্‌ তাকে শহীদদের মর্যাদায় পৌছিয়ে দিবেন, যদিও সে তার বিছানায় মৃত্যুবরণ করে। (সহীহ মুসলিম, হাদিস নং-৪৭৭৮)

০৩.যখন কোন ব্যক্তি তার ভাইয়ের অনুপস্থিতিতে তার জন্য দু'আ করে, তখন ফেরেশতাগণ বলেন: আমীন! এবং তোমার জন্যও অনুরুপ হবে। (সহীহ মুসলিম ও আবু দাউদ,হাদিস নং-১৫৩৪)

০৪.কোন ব্যক্তি মন্দ হওয়ার জন্য অশ্লীল বাক্যচারী ও কৃপণ হওয়াই যথেষ্ট। (আহমাদ, মিশকাত হাদিস নং-৪৬৯৩)

০৫. যে ব্যক্তি প্রতি ফরয নামায শেষে আয়তুল কুরসী পড়ে, তার জান্নাতে প্রবেশ করতে মৃত্যু ছাড়া কোন কিছু বাধা হবে না। (সহীহ আল জামে,হাদিস নং-৬৪৬৪)

০৬. যে ব্যক্তি অযু করে এবং অযুকে পুর্নাঙ্গরুপে সম্পন্ন করে, তারপর কালেমা শাহাদাত পাঠ করে,তার জন্য জান্নাতের ৮টি দরজা খুলে যায় । সে যে দরজা দিয়ে ইচ্ছা জান্নাতে প্রবেশ করতে পারবে । (সহিহ মুসলিমঃ ৪৬০, তিরমিযীঃ৫৫, ইবনু মাযাহঃ ৪৭০)

০৭.যে ব্যক্তি দিবসে ১ বার ও রাতে ১ বার আন্তরিকতার সাথে সাইয়্যেদুল ইস্তেগফার পাঠ করে যদি সে দিন বা রাতে মারা যায়, তাহলে ওই ব্যক্তি জান্নাতি। (সহিহ বুখারী, হাদিস নং-৫৮৬৭)

০৮.ওযু করার সময় কেউ যদি উত্তমরূপে ওযু করে তাহলে তার শরীরের সব গুণাহ বের হয়ে যায়। এমনকি তার নখের নিচের গুণাহও বের হয়ে যায়। (সহীহ মুসলিম, হাদিস নং-৪৮৪,৪৮৫)

০৯.রাসূল (সাঃ) ইরশাদ করেছেন, তোমাদের মধ্যে সে ব্যক্তি সর্বোত্তম যে কোরআন শিখে এবং অন্যকে শিক্ষা দেয়। (সহীহ বুখারী, হাদিস নং- ৪৬৬১,৪৬৬২)

১০.কুরআন পাঠে দক্ষ ব্যক্তি উচ্চ মর্যাদা ফিরিশতাদের সঙ্গী হবে। আর যে ব্যক্তি কোরআন পড়ার সময় আটকে যায় এবং কষ্ট করে তিলাওয়াত করে তার জন্য রয়েছে দ্বিগুণ সওয়াব।(সহীহ বুখারী-৪৯৩৭, মুসলিম আবু দাউদ -১৪৫৪)

শুধু পড়বেন না, বাস্তব জীবনে প্রয়োগও করবেন, ইন'শা আল্লাহ কাজে আসবে।
আল্লাহ সবাইকে আমল করার তাওফিক দান করুক-আমীন।

রবিবার, ২ আগস্ট, ২০২০

প্রান ফিরে পেলো জাফলং পর্যটন স্পট।  মোঃ ইসমাইল হোসেন জাফলং সিলেট

প্রান ফিরে পেলো জাফলং পর্যটন স্পট। মোঃ ইসমাইল হোসেন জাফলং সিলেট

প্রান ফিরে পেলো জাফলং পর্যটন স্পট। মোঃ ইসমাইল হোসেন জাফলং সিলেট

এই জাগায়টার নাম জাফলং জিরো পয়েন্ট। ভারত বাংলাদেশের জিরো লাইনে অবস্থিত ভারতের  উঁচু উঁচু পাহার স্বচ্ছ জলরাশি আর পাথরের স্তুপ পর্যটকদের মন ছুয়ে যায়।এই জায়গাটি যেমন বাংলাদেশি পর্যটকদের কাছে প্রিয় তেমনি ভারতের পর্যটকদের কাছেও  প্রিয়। করোনা ভাইরাস পরিস্থিতির কারনে দেশের অন্যান্য পর্যটন স্পটের ন্যায় জাফলং এর এই স্পটটিও বন্ধ হয়ে যায়।গত ঈদুল ফিতরে ও বন্ধ ছিলো দেশেই এই অন্যতম পর্যটন স্পটটি।৪/৫ মাস বন্ধ থাকার ফলে পর্যটন সংশ্লিষ্ট ব্যবসায়ী, ফটোগ্রাফার, টুরিস্ট গাইডদের মানবেতন জীবন জাপন করেন।এই ঈদে কিছুটা হলেও সস্থিতে সবাই। ঈদের ২য় দিন জাফলং যেন ফিরে পেয়েছে তার হারানো রুপ গুরতে এসেছে হাজারো পর্যটক।সাস্থ্য বিধি মানার কথা তাকলেও চোখে পরেনি তেমনটা। তার উল্টো চিত্র ভারতের পাশে করোনার পরিস্থিতির কারনে খোলা হয়নি পর্যটন স্পট গুলো।                                     ছবিঃ জাফলং জিরো পয়েন্ট

শুক্রবার, ৩১ জুলাই, ২০২০

ঈদ মোবারক, ঈদ মোবারক, ঈদ মোবারকসুপ্রিয় দেশ ও প্রবাসী ভাই ও বোনেরা সবাইকে ঈদুল আযহার শুভেচ্ছা ঈদ মোবারক ।

ঈদ মোবারক, ঈদ মোবারক, ঈদ মোবারকসুপ্রিয় দেশ ও প্রবাসী ভাই ও বোনেরা সবাইকে ঈদুল আযহার শুভেচ্ছা ঈদ মোবারক ।

ঈদ মোবারক, ঈদ মোবারক, ঈদ মোবারকসুপ্রিয় দেশ ও প্রবাসী ভাই ও বোনেরা সবাইকে ঈদুল আযহার শুভেচ্ছা ঈদ মোবারক ।
ঈদ মোবারক, ঈদ মোবারক, ঈদ মোবারক
সুপ্রিয় দেশ ও প্রবাসী ভাই ও বোনেরা সবাইকে ঈদুল আযহার শুভেচ্ছা ঈদ মোবারক ।
মুসলমানদের সব চাইতে বড় ধর্মীয় উৎসব ঈদুল ফিতর ঈদুল আযহা । আজ ঈদুল আযহা 

বিশ্বের প্রায় ২০০ টিরও বেশি দেশে করোনা ভাইরাসের সংক্রমণে কারণে মানুষ এক দেশ থেকে আরেক দেশ এক জায়গা থেকে অন্য জায়গায় যেতে পারছে না। এমনকি ইচ্ছা থাকা সত্ত্বেও আপন মানুষ গুলো সাথে দেখা করা সম্ভব হচ্ছে না। নিজ নিজ জায়গাতে এই ঈদুল আজহা পালন করা হচ্ছে। পারছে না অনেককেই পরিবারের ঈদ উদযাপন করতে । একসাথে ঈদের আনন্দ ভাগাভাগি করতে পারছিনা ।

এই কষ্ট এই দুরবস্থা আমাদের দিন দিন অস্থিরতার দিকেই ধাবিত হচ্ছে, আমরা চাই ভবিষ্যতে করোনা ভাইরাস শেষ হয়ে মানব জীবনে নতুনভাবে জীবন শুরু হবে, নতুন করে চলাচল করার সুযোগ হোক ।

ঈদুল আযহা মুসলমান ধর্মের অন্যতম একটি দিন আমাদের এই ঈদের আনন্দের
সমস্ত মানবজাতির যেন সুন্দরভাবে পালন করতে পারে। আনন্দ করতে পারে যে যেখানে যে অবস্থায় আছি আমরা ঠিক সেই জায়গা থেকে ঈদের আনন্দটুকু শেয়ার করব । পরিবার-পরিজন আত্মীয়-স্বজন বন্ধু-বান্ধব যে যেখানে আছি যে অবস্থায় আছি সবার সাথে সব সময় যোগাযোগ করে তাদের সাথে আনন্দ ভাগ করে সময় টুকু পার করে নিজের জীবনকে আরো রঙিন করে তুলবো।

আগামীর সুন্দর জীবনকে স্বাগত জানিয়ে সমস্ত মানব কল্যাণের জন্য আমাদের ঈদুল আযহার মধ্যে দিয়ে শেষ হোক সবার জীবনে বয়ে আনুক সুখ শান্তি সমৃদ্ধি । যে যেখানে আছি নিরাপদে থাকি, সুস্থ থাকি, ঘরে থাকি, ভালো থাকি, সরকারি আইন মেনে চলি, স্বাস্থ্যবিধি মেনে চলি
বাহিরে গেলে অবশ্যই মাক্স ব্যবহার করি,
সবাই ভাল থাকবেন আল্লাহ হাফেজ ।
মোঃ মাসুদ রানা রুমি
পরিচালক বর্তমান টোয়েন্টিফোর ডটকম
দেশে বিদেশে সকল মানুষকে ঈদের শুভেচ্ছা জানিয়েছেন ।  মাওলানা মিজানুর রহমান আজহারী

দেশে বিদেশে সকল মানুষকে ঈদের শুভেচ্ছা জানিয়েছেন । মাওলানা মিজানুর রহমান আজহারী

ঈদ মুবারাক 🌙
তাক্বাব্বালাল্লাহু মিন্না ওয়া মিনকুম

দেশে বিদেশে অবস্থানরত, সবাইকে জানাচ্ছি পবিত্র ঈদুল আদহার আন্তরিক শুভেচ্ছা। ঈদ হোক কল্যাণময় বরকতময়।

আল্লাহ রাব্বুল 'আলামীন সকল হাজ্জিদেরকে হাজ্জে মাবরুর নসিব করুন, আমাদের সকল নেক আমল কবুল করুন, আমাদেরকে ক্ষমা করুন এবং তাঁর প্রিয় বান্দাদের কাতারে অন্তর্ভুক্ত করুন। আমিন।

আপনাদের আন্তরিক দোয়ায় আমাদেরকে শামিল রাখুন। আপনাদের এবং আপনাদের পরিবারের জন্য রইলো অনেক অনেক দোয়া ও শুভকামনা।
এই ক্রান্তিকালে বিভিন্ন ব্যাংকের ব্যাংকাররাই কঠোর পরিশ্রমের মাধ্যমে সরকার ঘোষিত প্রণোদনা প্যাকেজ গুলো বাস্তবায়ন করছেন অত্যন্ত দক্ষতা ও দৃঢ়তার সাথে। মোঃ আশরাফুল আলম

এই ক্রান্তিকালে বিভিন্ন ব্যাংকের ব্যাংকাররাই কঠোর পরিশ্রমের মাধ্যমে সরকার ঘোষিত প্রণোদনা প্যাকেজ গুলো বাস্তবায়ন করছেন অত্যন্ত দক্ষতা ও দৃঢ়তার সাথে। মোঃ আশরাফুল আলম

এই ক্রান্তিকালে বিভিন্ন ব্যাংকের ব্যাংকাররাই কঠোর পরিশ্রমের মাধ্যমে সরকার ঘোষিত প্রণোদনা প্যাকেজ গুলো বাস্তবায়ন করছেন অত্যন্ত দক্ষতা ও দৃঢ়তার সাথে। করোনার এই সংকটের মুহূর্তে

মোঃ আশরাফুল আলম
ম্যানেজার, অগ্রনী ব্যাংক লিঃ
তামাবিল শাখা,সিলেট

নয়া করোনা ভাইরাসের কারণে সৃষ্ট বৈশ্বিক মহামারীর এই কঠিন সময়ে সবাই উদ্বেগ-উৎকণ্ঠার মধ্যে দিন পার করছেন। মহামারী প্রকোপের কারণে যেমন ব্যবসায়িক ক্ষেত্রে মন্দাভাব বিদ্যমান রয়েছে, তেমনি ব্যাংকিং খাতেও বিরূপ প্রভাব অব্যাহত রয়েছে।
Pandemic পরিস্থিতির কারণে গত এপ্রিল এবং মে মাসে ঋণের সুদ স্থগিত করায় আয়ের খাত অনেক সংকুচিত হয়ে এসেছে। তাছাড়া গত এপ্রিল থেকে আমানত ও ঋণের সুদের হার ছয়-নয় কার্যকর হওয়ায় ব্যাংকিং খাত দিশেহারা হয়ে পড়েছে। আমানতকারীদের আমানতের বিপরীতে ব্যাংকগুলোকে মোটা অংকের সুদ প্রদান করতে হয়। বেসরকারি খাতের বেশ কিছু ব্যাংক আমানতের ঘাটতি পূরণের জন্য ৯ শতাংশ বা তার বেশি সুদ প্রদান করে আমানত সংগ্রহ করে থাকেন।।।। আমরা জানি, ব্যাংক হলো মধ্যস্থতাকারী আর্থিক প্রতিষ্ঠান যা জনগণ ও বিভিন্ন প্রতিষ্ঠানের নিকট হতে নগদ অর্থ জমা রাখে এবং তাদের ঋণদান করে। ঋণ ও আমানতের হারের মধ্যবর্তী যে অংশটা থাকে সে অংশটা দিয়ে সামগ্রিক ব্যয় মিটিয়ে যে বর্ধিত অংশটুকু থাকে সেটিই মুনাফা হিসেবে বিবেচিত হয়। এখন যে ব্যাংকগুলো ৯ শতাংশ বা তার অধিক হারে আমানত সংগ্রহ করেছে তাদের জন্য অশনিসংকেত অর্থ্যাৎ “মরার উপর খাড়ার ঘা “। তাইতো সম্প্রতি বেসরকারি ব্যাংক উদ্যোক্তাদের সংগঠন বাংলাদেশ অ্যাসোসিয়েশন অব ব্যাংকস (বিএবি) ১৩ দফা পরামর্শ দিয়েছে। এর মধ্যে অন্যতম একটি হচ্ছে কর্মীদের বেতন কমানো। এরই মধ্যে কয়েকটি ব্যাংক বেতন সংকোচনের পরিপত্র জারি করে ফেলেছে। বেতন সংকোচনের নীতিতে অবতীর্ণ হওয়া সংশ্লিষ্ট ব্যাংকগুলোর ব্যবস্থাপনা কর্তৃপক্ষকে সিনেমার ভিলেন হিসেবে দেখছেন বিক্ষুব্ধ ব্যাংক কর্মীরা। যুক্তরাজ্যে ব্যাংকার ও ড্রাংকারদের নিয়ে কিছু বাস্তব শ্রুতি প্রচলিত আছে। ব্যাংকারদের অফিসে প্রবেশের সময় নির্ধারিত আছে কিন্তু অফিস থেকে বের হওয়ার নির্দিষ্ট সময় থাকলেও প্রয়োজনে অনেক রাত অবধি কাজ করতে হয়। তাই কাজ শেষে অফিস থেকে বাসায় ফিরতে অনেক রাত হয়। ততক্ষণে ড্রাংকাররাও রাস্তায় বেরিয়ে পড়েন। পুলিশ দূর থেকে ব্যাংকার ও ড্রাংকারদের অনুধাবন করতে না পারলে কাছে গিয়ে গন্ধ শুকে নিয়ে বুঝতে পারত কে ব্যাংকার বা কে ড্রাংকার।
যুগে যুগে ব্যাংকারদের পরিশ্রমের কথা সর্বজনস্বীকৃত। বিভিন্ন প্রাকৃতিক বিপর্যয়ের মধ্যে ব্যাংকাররা দেশের স্বার্থে কিংবা সমাজের স্বার্থে নিয়োজিত রেখেছেন। বর্তমান এই মহামারির সময়ও ব্যক্তিস্বার্থ উপেক্ষা করে ফ্রন্টলাইন থেকে স্বল্প সময়ে দ্রুততম সেবা দেওয়ার চেষ্টা অব্যাহত আছে। মাননীয় প্রধানমন্ত্রী বর্তমান এই সঙ্কটময় মুহূর্তে দেশের প্রান্তিক কিংবা দরিদ্র জনগোষ্ঠীর জন্য বিভিন্ন প্রণোদনা প্যাকেজ ঘোষণা করেছেন এবং এগুলো বাস্তবায়নের নায়ক ব্যাংক কর্মীরাই। বিভিন্ন ক্ষেত্র বিবেচনায় ব্যাংকারদের মন মানসিকতাকে বিভিন্নভাবে উজ্জীবিত করার পরিবর্তে বিদ্যমান অধিকার খর্ব করলে তাদের প্রোডাক্টিভিটি কমে যাওয়ার আশঙ্কা থেকে যায়।
ব্যাংকের আয় বাড়ানোর মূলভিত্তি ব্যাংকাররাই গড়ে তোলেন। অথচ আয় সম্প্রসারণের জন্য যদি তাদের বেতন সংকোচন করা হয় তবে এটি হবে “নেগেটিভ থিওরি অব মোটিভেশন”। ব্যাংকিং প্রতিষ্ঠানের ক্ষেত্রে ব্যাংক কর্মীরাই সে প্রতিষ্ঠানের বিনিয়োগ। তাই প্রতিষ্ঠানে কর্মরত কর্মীদের আগে বিনিয়োগ হিসেবে গণ্য করে ওই প্রতিষ্ঠানকে কর্মীবান্ধব হিসেবে বিবেচনায় নিতে হবে। কারণ, কর্মীদের অক্লান্ত পরিশ্রমের ফলে মুনাফা অর্জনের দ্বারপ্রান্তে ব্যাংকগুলো চলে আসে। তাই কর্মীদের যথাযথ মূল্যায়ন অত্যাবশ্যক। এই সংকটময় মুহূর্তে কর্মীদের উদ্বুদ্ধকরণে অধিক উৎসাহব্যঞ্জক কর্মপরিকল্পনা গ্রহণ করা দক্ষ ব্যবস্থাপনার পরিচায়ক।নিরাশার মধ্যে আশার আলো জ্বালিয়ে দিয়েছেন অনেক ব্যাংকের স্মার্ট ও দক্ষ ব্যবস্থাপনা কর্তৃপক্ষ। তারা বেতন সংকোচন নীতির মাধ্যমে কর্মীদের মনোবল ভাঙতে চান না বরং ব্যাংকারদের ত্যাগ-তিতিক্ষার কথা বিবেচনাপূর্বক বিভিন্ন সুযোগ-সুবিধা বৃদ্ধির মাধ্যমে তাঁদের উজ্জীবিত রাখতে চান। এই করোনাকালে ব্যাংকগুলো সেবার মান বাড়ানোর জন্য বহুমুখী উদ্যোগ গ্রহণ করেছে। যেমন, দেশের অন্যতম অগ্রনী ব্যাংক বিকাশের সাথে সম্পৃক্ত হয়েছে যাতে করোনাকালীন কঠিন সময়ে গ্রাহকগণ ঘরে বসেই ব্যাংকের টাকা হস্তান্তর করতে পারে এবং সর্বোপরি আর্থিক অন্তর্ভুক্তিতে অবদান রাখতে পারে। এছাড়াও দেশের বৈদেশিক মুদ্রার রিজার্ভ বৃদ্ধিকল্পে ও এই সংকটময় মুহূর্তে প্রবাসীদের প্রেরিত রেমিট্যান্সের বিপরীতে ২% এর সাথে অতিরিক্ত ১% অর্থ্যাৎ ৩% প্রণোদনা দিচ্ছে। আর এরই সাথে বাড়ছে রেমিট্যান্স প্রবাহ।
এছাড়াও বিভিন্ন ব্যাংক পেপারলেস ও ডিজিটাল ব্যাংকিং এর দিকে মনোযোগ দিচ্ছে। এই ক্রান্তিকালে বিভিন্ন ব্যাংকের ব্যাংকাররাই কঠোর পরিশ্রমের মাধ্যমে সরকার ঘোষিত প্রণোদনা প্যাকেজ গুলো বাস্তবায়ন করছেন অত্যন্ত দক্ষতা ও দৃঢ়তার সাথে। করোনার এই সংকটের মুহূর্তে অর্থনৈতিক সচ্ছলতা আনতে ফ্রন্টলাইন যোদ্ধা ব্যাংকাররাই সুদূরপ্রসারী অগ্রণী ভূমিকা পালন করতে পারেন।

মোঃ আশরাফুল আলম
ম্যানেজার, অগ্রনী ব্যাংক লিঃ
তামাবিল শাখা,সিলেট